শেষ বলের নাটকীয় জয়ে চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ানস

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় আইপিএলের ১২তম শিরোপা ঘরে তুলল মুম্বাই। এ জয়ে আইপিএলে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো শিরোপা নিজেদের করল মুম্বাই। মালিঙ্গার করা ম্যাচের শেষ ওভারে ৯ রান করতে পারলেই জয় পেত চেন্নাই। ক্রিজে ৫৯ বলে ৮০ রান করা ওয়াটসনের সঙ্গী রবীন্দ্র জাদেজা। ক্রিজে ওয়াটসন আছেন বলেই চেন্নাইয়ের সমর্থকেরা শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন। ওভারের শুরুতে তেমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন ওয়াটসন।

প্রথম দুই বলে সিঙ্গেল পরের বলে দুই রান নিয়ে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছিল ধোনির দল চেন্নাই। চতুর্থ বলে দুই রান নিতে গিয়ে ওয়াটসন রানআউট হলেই বিপত্তি বাধে। চেন্নাইয়ের শিরোপা জয়ের স্বপ্নে তখন খানিকটা ঝাঁকুনিও লাগে। জয়ের জন্য তখনো যে ৪টি রান চাই! শারদুল ঠাকুর নেমে সেই কাজটাও খানিকটা সহজ করে দেন। ম্যাচের উত্তেজনা জিইয়ে থাকে শেষ বল পর্যন্ত। ১ বলে তখন দরকার ২ রান। শেষ বলে মালিঙ্গার ইয়র্কারের শিকার হয়ে শারদুল ঠাকুর সাজঘরে ফিরলে চেন্নাইয়ের চতুর্থ শিরোপা জয়ের স্বপ্নের ইতি ঘটে।

এর আগে হায়দরাবাদে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পোলার্ডের ৪১ রানের ওপর ভর করে ১৪৯ রান করে মুম্বাই। ১০১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে একটা সময় বিপর্যয়ের মুখে পড়া মুম্বাইকে টেনে তোলে পান্ডিয়া-পোলার্ড জুটি। এই জুটির ওপর ভর করে শেষ পর্যন্ত চেন্নাইকে ১৫০ রানের লক্ষ্য দেয় মুম্বাই।

জবাবে শুরুটা ভালোই করেছিল চেন্নাই। ৩৩ রানের মাথায় ডু প্লেসিকে হারালেও অন্য প্রান্তে ভালোই ঝড় তোলেন ওয়াটসন। শেষ ওভারে এসে ওয়াটসনের উইকেট আর মাঝে ধোনির বিতর্কিত রানআউটটাই চেন্নাইয়ের শিরোপা জয়ের বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স: ২০ ওভারে ১৪৯/৮ (পোলার্ড ৪১*, ডি কক ২৯, ইশান কৃষান ২৩; চাহার ৩/২৬, ইমরান ২/২৩, শার্দুল ঠাকুর ২/৩৭)।

চেন্নাই সুপার কিংস: ২০ ওভারে ১৪৮/৭ (ওয়াটসন ৮০; ডু প্লেসিস ২৬; বুমরাহ ২/১৪, মালিঙ্গা ৪৯/১)।

ফল: মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১ রানে জয়ী।

share this news:
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com