দাপুটে জয়ে ফাইনালে টাইগাররা

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উইন্ডিজকে ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দ্বিতীয়বারের মতো হারাল টাইগাররা। গতকাল জেসন হোল্ডারের দলের বিপক্ষে ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল, তাও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকে। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামীকাল। আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার এই ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড। আগামী শুক্রবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে উইন্ডিজের বিপক্ষে লড়বে স্টিভ রোডসের শিষ্যরা।

ডাবলিনের দ্য ভিলেজ স্টেডিয়ামে গতকাল টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় উইন্ডিজ। উদ্বোধনী জুটিতে দলের স্কোরে ৩৭ রান যোগ করেন দুই ওপেনার সুনীল আমব্রিস ও শাই হোপ। আমব্রিসকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন মাশরাফি। এরপর ড্যারেন ব্রাভো, রোস্টন চেজ ও জনাথন কার্টার দ্রুত সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা। পঞ্চম উইকেটে ১০০ রানের জুটি গড়ে সে চাপ সামাল দেন শাই হোপ ও জেসন হোল্ডার। হোপ ৮৭ ও হোল্ডার ৬২ রান করেন। তাদের আউটের পর আর কেউই দলের হাল ধরতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে জেসন হোল্ডারের দল। টাইগারদের পক্ষে মোস্তাফিজ ৪৩ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। আর ৬০ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট নেন সাকিব ও মিরাজ। এ ম্যাচ দিয়েই জাতীয় দলের জার্সিতে ওয়ানডে অভিষেক হয় পেসার আবু জায়েদ রাহীর। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডেতে ৯ ওভার বোলিং করে ৫৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি তিনি।

জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে স্কোরবোর্ডে ৫৪ রান যোগ করেন দুই টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। তামিম ২১ রানে আউট হলেও হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। তার ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। সৌম্যর বিদায়ের পর মুশফিকের ৬৩, মিঠুনের ৪৩ ও মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৩০ রানে ভর করে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে ম্যাচসেরা হন মোস্তাফিজুর রহমান।

share this news:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *