বিশ্বকাপ জেতার কথাই ভাবছেন স্টিভ রোডস!

সূচিতে বাকি আছে লিগ পর্বের আর তিন ম্যাচ। এই তিন ম্যাচে তিন জয় তো বটেই। বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস সেমিফাইনাল, ফাইনালসহ ধরে রেখেছেন পাঁচ ম্যাচ। একের পর এক ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপ জেতার মতো বড় স্বপ্নই দেখছেন তিনি। সোমবার প্রথম ধাপ হিসেবে নির্বিঘ্নে পাড়ি দিতে চান আফগানিস্তান বাধা।

এশিয়া কাপে এতটা কঠিন না হলেও কাছাকাছি একটা পরিস্থিতিতে পড়েছিল বাংলাদেশ। ফাইনালে যেতে গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জিততেই হতো। সেই দুই ম্যাচ জিতেও যায় মাশরাফি মর্তুজার দল। পরে ফাইনালে গিয়ে ভারতের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে শেষ বলে গিয়ে হেরে যায় বাংলাদেশ।

এবারও বিশ্বকাপে শেষ চারে যাওয়ার আশা বাঁচাতে সামনে থাকা এশিয়ার তিন দেশকে হারাতে হবে বাংলাদেশকে। কিন্তু তাতেও যে চলছে না। অপেক্ষা করতে হবে অন্যদের ম্যাচে কি হচ্ছে। কিন্তু সেসব না দেখে নিজেদের কাজটা করে বিপুল স্বপ্নে মগ্ন বাংলাদেশের কোচ,  ‘অবশ্যই (বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব কিনা)। এশিয়া কাপ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছি। ওটা দুর্দান্ত ছিল। আমরা তো কাপ প্রায় জিতেই যাচ্ছিলাম। একদম শেষ বলে গিয়ে হেরেছি ফাইনালে।  আমার মনে হয় বাংলাদেশ দল এবং আমরা সবাই জানি এটা করতে (বিশ্বকাপ জিততে) কেবলই পাঁচ ম্যাচ দরকার। যদি প্রতিটা ম্যাচকেই নকআউট হিসেবে ভাবা যায় তাহলে হতেও পারে, আমরা বিশ্বকাপও জিততে পারি।’

মুহূর্তেই বাস্তবে ফিরে কাজটা যে কত কঠিন সে উপলব্ধিও জানান রোডস তবে কঠিন পথে সবচেয়ে বড় স্বপ্নটা জিইয়ে এগুতে চান তিনি, ‘আমার মনে হয় না এটা সহজ। প্রথম ধাপ বা প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আফগানিস্তানকে হারানো। তারা শক্ত প্রতিপক্ষ। দারুণ সব ক্রিকেটার আছে তাদের। ভারতের সঙ্গে তারা খুব ভালো খেলেছে। আমরা তাদের সমীহও করি। এশিয়া কাপেও আমাদেরকে সহজে জিততে দেয়নি। আমরা জানি কাল একটা কঠিন ম্যাচ হবে। কিন্তু আমরা ভীত নই, আত্মবিশ্বাসী।। আমাদের ভাল ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা যদি একের পর এক খেলা জিততে থাকি, তাহলে কে জানে? (বিশ্বকাপ জিততেও পারি)।’

হাতে থাকা বাকি তিন ম্যাচে যদি বাংলাদেশ আফগানিস্তান, ভারত ও পাকিস্তানকে হারায় তবু সেমি নিশ্চিত হবে না। সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড যদি তাদের বাকি তিন ম্যাচের দুটিতে হেরে যায় তাহলে বাকি সব ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ উঠতে পারে সেমিফাইনালে। খাতার অঙ্কেও এমনটা মিলে যাওয়া বেশ কঠিন।

share this news:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *