দেশের যেখানে শাটডাউন প্রয়োজন, করা হবে : কাদের

অন্যান্য দেশের মতো যদি বাংলাদেশে শাটডাউন করতে হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রস্তুতি আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে শাটডাউন করা হবে। যেখানে প্রয়োজন, সেখানে করা হবে। সবার আগে মানুষকে বাঁচাতে হবে। সেজন্য যা যা করণীয় করা হবে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের ডিরেক্টর জেনারেল গতকাল যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে কথা একটাই ছিল টেস্ট, টেস্ট অ্যান্ড টেস্ট, তিনবার এটি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন টেস্টের ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত, আমরাও সেটি অনুসরণ করে এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, আমেরিকার মতো বিরাট শক্তিশালী দেশের বিভিন্ন এয়ারপোর্টে স্ক্রিনিং বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। আমাদের তো অভিজ্ঞাতা নেই। তবুও ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছি। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য যা প্রয়োজন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সতর্কভাবে করোনা মোকাবিলার সকল প্রস্তুতি নেব। এ ব্যাপারে কী করণীয়, এজন্য মিডিয়ার সাজেশনও প্রয়োজন।

সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারিভাবে কঠোর নজর দেব। সাংবাদিকরাও সঠিক রিপোর্ট করবেন। এখানে প্রাণ বাঁচানোর বিষয়। প্রাণঘাতি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। এখানে রাজনীতি না করে সকল রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ, করোনা অভিন্ন শত্রু, কোনো পলিটিক্স না করে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাবিশ্বের জন্য এটি নতুন অভিজ্ঞতা। মানসিকভাবে আমরা ওয়েল ইক্যুয়িড। এটা একটা বড় শক্তি। যে ইক্যুয়িপমেন্ট দরকার তার যে ঘাটতি সেটি পূরণের চেষ্টা করছি। ঘাটতি পূরণে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই।

রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে সভা সমাবেশে যাব না। সেজন্য বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সীমিত করেছি। টুঙ্গীপাড়ায় মানুষের ঢল নামার কথা, সেখানে আমরা অনেক সীমিত করেছি। অনুষ্ঠানমালা পুনর্বিন্যাস করে বিশ্বব্যাপী করোরোনার যে আতঙ্ক, তা যেন সামনে না বাড়তে পারে সে জন্য যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলা করব। করোনা আমাদের সকলের অভিন্ন শত্রু। রাজনৈতিক যে চিন্তা চেতনা সব কিছুর উর্ধ্বে করোনা মোকাবেলা করা। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবেলা করি।

share this news:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *