১২০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন জনি

আজ আমরা একটি গভীর সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে পরেছি। পুরো পৃথিবী থমকে গেছে। বিষাদের কালো চাঁদরে ঢেকে যাচ্ছে একটির পর একটি শহর গ্রাম! এক দিকে ক্ষুধা আর অন্য দিকে-মহামারী সাথে করোনা ভাইরাসের বীভৎস আরণ্যক চোখ। আমাদের ক্ষুধা ও ভাইরাস করোনা যেন, নিত্য খেটে খাওয়া মানুষের ছায়ানটে বেজে ওঠা মৃত্যুর যুগল স্পন্দন। নিদারুণ ক্ষুধার রাজ্যে ঘরের ভেতর কতোগুলো না খাওয়া মুখ চেয়ে আছে উনুনের আগুনে টগবগ করে বাড়ছে জলের স্ফুটনাংক।শ্বাসরুদ্ধ নগরীতে হয়তো ত্রাণ নিয়ে ছুটে আসবে কোনো বিত্তবান, ভলেন্টিয়ার অথবা সাহসী-প্রশাসন, অনেকেই দুহাত পেতে নেবে।।

আর কেউ শূন্যহাতে ফিরে যাবে ক্ষুধার্ত মুখগুলোর কাছে। বুকের পাঁজরে বয়ে যায় কষ্টের বরফগলা নদী-যে শিরা-উপশিরা দিয়ে রক্তের ঢেউ সহস্র বছর ধরে আছড়ে পড়ে মধ্যবিত্তের বেলাভূমিতে। লজ্জার আবরণে ওদের হাতদুটোও গুটিয়ে যায় বালির বুকে চুপসে যাওয়া জলের মতো।

তাই আমি চেষ্টা করেছি কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, আল্লাহ তা’লা র অশেষ রহমতে ১২০ টি পরিবার কে এক মুঠো খাদ্য হাতে তুলে দিতে পেরেছি৷ এবং কোথাও মানুষ জড়ো করে খাদ্য বিতরন করিনি, আমি নিজে উপস্থিত হয়ে যার যার স্থানে খাদ্য পৌছে দেবার চেষ্টা করেছি৷ এরজন্য আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি৷

বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানাই যারা আমার পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করেছেন, আবদুল্লাহ আল-মাসুদ, মাহমুদুল হাসান, শহীদ, শাহাদাত, মোস্তফা, মামুন, ইব্রাহিম, সাইফুল, সুরাজ, আলামিন, হোসেন, সুমন ও সজীবকে।

পরিশেষে বলতে চাই মানুষ মানুষের জন্য। আল্লাহ আমাদের সকলকে এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুক আমীন।

share this news:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *